মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কৃষি ঋণ

 

কৃষি ঋণের প্রকারভেদ
 
কৃষি ঋণ শব্দটি আনেক ব্যপক এর মধ্যে রয়েছে আনেক গুলো ভাগ। যেমন- শস্যঋণ, মত্স্য ঋণ, পোল্ট্রী ও ডেইরী ঋণ। শস্য ঋণ ব্যতীত অন্যগুলো প্রকল্প ভিত্তিক।
শস্য ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত উত্পাদন পরিকল্পনা আছে এবং এখানে ঋণ বিতরণের সীমা নির্ধারিত।


মত্‍স্যঋণঃ  মত্‍স্য ঋণ হয়ে থাকে পারিবারিক ভাবে / পুকুরের পরিমান অনুযায়ী। এখানে উল্লেখ্যযে, পুকুর পুনঃনন প্রকল্পতে ও ঋণ দেওয়া হয়। কার্প জাতীয় মাছ যেমন-কাতলা, রুই এছাড়া চিংড়ি ঘেড় অনুযায়ী সবোর্চ্চ ঋণের সীমা হতে পারে২ কোটি টাকা পযর্ন্ত। এবং সর্বনিম্ন আধা বিঘা পর্যন্ত দশ থেকে পনের হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে।সূদের হার ৮%।


পোল্ট্রী ঋণঃ পোল্ট্রী বার্ডস অনুযায়ী ঋণ হয়। এগুলোর ক্ষেত্রে আবার ভাগ রয়েছে যেমন- লেয়ার, ব্রয়লার এবং দেশী মুরগী। এখানে হাউস হোল্ড অনুযায়ী লোন ১০-১৫,০০০/- টাকা। ফার্ম হলে ২০/২৫,০০০-কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়।
ডেইরী ঋণঃ ডেইরী ঋণ দুগ্ধ গাভী প্রতি ২৫,০০০/- টাকা, হাল চাষ করা গরুর জন্য ২০,০০০/- টাকা এবং মহিষের জন্য ২০,০০০/- টাকা।

 


Share with :

Facebook Twitter